বুধবার, ১০ আগস্ট, ২০১৬

পৃথিবীর যেকোন সাগরেই কাঁকড়া পাওয়া যায়। এছাড়া মিঠাপানি বা স্থলবাসী কাঁকড়াও আছে। বাংলাদেশে কাঁকড়ার তুলনায় চিংড়ি খাওয়ার প্রচলনটাই বেশি। তবে সমুদ্র তীরবর্তী বা পাহাড়ী এলাকার মানুষের কাছে কাঁকড়াই বেশি সমাদৃত। বর্তমানে কাঁকড়া জনপ্রিয় হয়ে উঠছে অনেকের কাছে। কাঁকড়া দিয়ে হয় বাহারি সব রান্না।
কাঁকড়া’র দো-পেঁয়াজা
যা যা লাগবে:
কাঁকড়া- ১ কেজি
টমেটো কুচি- ১ কাপ
পেঁয়াজ কুচি- ১ কাপ
আদা বাটা- ১ চা চামচ
রসুন বাটা- ১ চা চামচ
হলুদ গুড়া- ১ চা চামচ
ধনে গুড়া- আধা চা চামচ
জিরা গুড়া- আধা চা চামচ
শুকনা মরিচ গুড়া- ১ চা চামচ
গোল মরিচ গুড়া- আধা চা চামচ
কাঁচা মরিচ ফালি- ৪টি
দারচিনি- ১টি
লবঙ্গ- ৩টি
এলাচ- ৩টি
সয়াবিন তেল- আধা কাপ
লবণ- পরিমাণমত
ধনেপাতা কুচি- আধা কাপ
পানি- দেড় কাপ
যেভাবে করতে হবে:
১. কাঁকড়া কেটে ভালভাবে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিন।
২. এক চিমটি গোল মরিচ গুড়া, কাঁচা মরিচ বাটা, আধা চা চামচ হলুদ গুড়া এবং লবণ দিয়ে ভাল করে মেখে ২০ মিনিট রেখে দিন।
৩. পাত্রে ২ টেবিল চামচ সয়াবিন তেল দিন। তেল গরম হলে কাঁকড়া দিয়ে কিছুক্ষণ ঢেকে ভাজুন। কাঁকড়া লাল রং হয়ে আসলে তুলে নিন।
৪. অন্য একটি পাত্রে বাকি সয়াবিন তেল দিন। তেল গরম হলে পেঁয়াজ কুচি, কাঁচা মরিচ ফালি, লবণ, দারচিনি, লবঙ্গ, এলাচ দিয়ে কষিয়ে আদা বাটা, রসুন বাটা দিয়ে ভাল করে কষিয়ে নিন। ছোট একটা বাটিতে পানির সাথে শুকনা মরিচ গুড়া, বাকি হলুদ গুড়া, জিরা গুড়া, ধনে গুড়া, গোলমরিচ গুড়া গুলে নিয়ে মশলায় দিন। ভাল করে কষিয়ে কাঁকড়া ও লবণ দিন। একটু কষিয়ে পানি দিয়ে অল্প আঁচে ঢেকে রাখুন ১০ থেকে ১২ মিনিট (যতক্ষণ না কাঁকড়ার মধ্যে মসলা ঢুকছে)। এরপর টমেটো কুঁচি দিয়ে কিছুক্ষণ অল্প আঁচে রেখে দিন। টমেটো কুচি নরম হয়ে আসলে ধনেপাতা কুচি দিয়ে নামিয়ে নিন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন