বগুড়া অঞ্চলের রান্নায় ঘাটি একটি বিশেষ পদ। ঘাটি অর্থ ঘন্ট। আনন্দের অনুষ্ঠানই হোক বা শোকের, ঘরের রান্নায় হোক কিংবা বাইরের, বগুড়ার রন্ধন তালিকায় ঘাটি থাকবেই। কখনো আলুর সাথে মাছের মাথা, কখনো চিংড়ি, কখনো মাংস বা ডিম, কখনো বারোমিশালি মৌসুমি সবজি মিশিয়ে তৈরী হয় নানা স্বাদের ঘাটি।
বারো মিশালী ঘাঁটি
যা যা লাগবে:
ডাটা- ২ টি
পটল- ৪ টি
আলু - ৪/ ৫ টি
বেগুন - ২ টি
চিংড়ি- আধা কাপ
পেঁয়াজ কুচি - ২ টি
আদা বাটা- ১ চা চামচ
রসুন বাটা- ১ চা চামচ
জিরা বাটা- ১ চা চামচ
শুকনা মরিচ গুড়া- ১ চা চামচ
কাঁচা মরিচ - ৩/ ৪ টি
সয়াবিন তেল- ১/ ৩ কাপ
লবণ- পরিমাণমত
পানি- পরিমাণমত
ডাটা- ২ টি
পটল- ৪ টি
আলু - ৪/ ৫ টি
বেগুন - ২ টি
চিংড়ি- আধা কাপ
পেঁয়াজ কুচি - ২ টি
আদা বাটা- ১ চা চামচ
রসুন বাটা- ১ চা চামচ
জিরা বাটা- ১ চা চামচ
শুকনা মরিচ গুড়া- ১ চা চামচ
কাঁচা মরিচ - ৩/ ৪ টি
সয়াবিন তেল- ১/ ৩ কাপ
লবণ- পরিমাণমত
পানি- পরিমাণমত
যেভাবে করতে হবে:
১. ডাটা, পটল, আলু, বেগুন ছোট ছোট করে কেটে রাখুন।
২. পাত্রে সয়াবিন তেল দিন। তেল গরম হলে পেঁয়াজ কুচি, কাঁচা মরিচ, শুকনা মরিচ গুড়া, আদা বাটা, রসুন বাটা, জিরা বাটা, লবণ দিয়ে কষিয়ে চিংড়ি ছেড়ে দিন। একটু নেড়ে একে একে ডাটা, পটল, আলু, বেগুণ দিয়ে পানি দিয়ে ঢেকে দিন। তরকারি সেদ্ধ হয়ে গেলে সামান্য ঘুটে দিন। নামিয়ে নিন।
২. পাত্রে সয়াবিন তেল দিন। তেল গরম হলে পেঁয়াজ কুচি, কাঁচা মরিচ, শুকনা মরিচ গুড়া, আদা বাটা, রসুন বাটা, জিরা বাটা, লবণ দিয়ে কষিয়ে চিংড়ি ছেড়ে দিন। একটু নেড়ে একে একে ডাটা, পটল, আলু, বেগুণ দিয়ে পানি দিয়ে ঢেকে দিন। তরকারি সেদ্ধ হয়ে গেলে সামান্য ঘুটে দিন। নামিয়ে নিন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন